×
  • আপডেট টাইম : 16/03/2020 06:53 PM
  • 56 বার পঠিত

সম্প্রতি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সাথে এক সকালে সময় কাটিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব মো: মনিরুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার ( মার্চ ১২) সকালে ঢাকাস্থ এভারগ্রীন জুম বাংলাদেশ, হাতিরঝিল শাখায় তিনি পরিদর্শন করেন, অসহায়- সুবিধাবঞ্চিতদের সাথে সময় কাটান ও খোজ খবর নেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমন ও নিয়ন্ত্রনে এই অনন্য মানসিকতার অফিসারের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম চৌকস অফিসার জনাব মনিরুজ্জামান, বিপিএম(বার), পিপিএম(বার), অত্যন্ত সাদা মনের মানুষ।  গনমুখী বিজ্ঞানভিত্তিক সেবামুখী পুলিশিং ব্যবস্থা প্রণয়নে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনে অনন্য সাধারণ অবদানের জন্য রেকর্ড সংখ্যক বার বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বিপিএম ও পিপিএম পেয়েছেন। শুধু দেশেই নয় আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে একজন সুখ্যাত পুলিশ অফিসার হিসেবে পরিচিত। ইন্টারপোল ও জাতিসংঘের পিসকিপিং মিশনে অসামান্য অবদানের জন্য দুইবার পেয়েছেন জাতিসংঘ শান্তিপদক। এছাড়াও জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ সিলেকশন টিমের সদস্য হিসাবেও দায়ীত্ব পালন করেছেন অত্যন্ত সুনাম ও কৃতিত্বের সাথে। অত্যন্ত সৎ, দক্ষ, মেধাবী ও জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে তাকে বাংলাদেশ পুলিশের একজন মডেল হিসেবে অনেকেই মনে করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এপ্লাইড ফিজিক্স এন্ড ইলেকট্রনিক্স থেকে কৃতিত্বের সাথে স্নাতোকোত্বর ডিগ্রী নিয়ে বিসিএস করে পুলিশে জয়েন করেন। অন্য কিছু না ভেবে পুলিশে যোগদানই ছিল লক্ষ্য। তিনি নিজেকে পুলিশ অফিসার বাই চয়েজ এন্ড নট বাই চান্স হিসাবে দাবী করেন। পরবর্তিতে যুক্তরাজ্যের নর্থ আম্ব্রিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে উচ্চতর ডিগ্রী নিয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশ এ যোগদান করে, আজ পর্যন্ত অনেক দায়িত্বশীল পদে কাজ করে যাচ্ছেন। জীবনের সব জায়গায় তিনি সুনামের সাথে কাজ করছেন। দায়িত্বশীল পদে দীর্ঘদিন কাজ করে দেশবাসীর কাছে হয়ে উঠেছেন সততা ও নিষ্ঠার এক বীরের প্রতিক।
কর্মজীবনে যেমন সুনামের সাথে কাজ করছেন, ব্যক্তিগত জীবনে তেমন সাধারন জীবন যাপন তাঁর। ব্যক্তিগত জীবনে জনাব মনিরুজ্জামান অত্যন্ত সহজ সরল, বন্ধুবৎসল, ধার্মীক এবং সমাজসেবক। কাছের মানুষজনের নিকট অতি সাধারণ ও উপকারী হিসেবেই চির পরিচিত।

রাষ্ট্র যন্ত্রের কাছে যেমন তিনি নিষ্ঠাবান অফিসার, পরিজনের কাছে তেমন দায়িত্বশীল। গর্ব আর অহংকার  ছুতে না পারা এই মহান ব্যক্তি নিজেকে একজন অত্যন্ত সাধারন ও আটপৌরে হিসেবেই মনে করেন।
পেশাগত দায়ীত্ব পালনের পাশাপাশি সমাজ সংস্কার, দরিদ্র মানূষকে সেবা ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন। নিজ জন্মস্থান যশোরের নাভারণে তার উদ্যোগে গড়ে উঠেছে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়, তিনি যার অন্যতম প্রাণভোমরা। এছাড়া বস্তিবাসী ও পথশিশুদের জন্য কাজ করা সংগঠন এভারগ্রীন জুম বাংলাদেশ স্কুলে তার ভুমিকা অনবদ্য।
স্বপ্নবান এ মানুষটি দরিদ্র পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখেন, দেখান। নিজ গ্রামে তার বাবা মা ও অকাল প্রয়াত শিশু সন্তানের নামে গড়ে তুলেছেন "সালেহা কবীর জীবন ফাউন্ডেশন"।  যশোরের ঝিকরগাছা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় এ ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যেই দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থিদের উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে ও সহায়তা, চিকিৎসা, খেলাধুলা, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্বধনা ও অবহেলিত মানুষের কল্যানে নানামুখী উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের মনে দাগ কেটেছে।
তিনি আলোকিত ও উন্নততর বাংলাদেশের জন্য আত্মনিবেদিত একজন মানুষ। অসামান্য পেশাদারীত্ব, সততা ও সুনামের সাথে নিজ দায়ীত্ব পালন করার পাশাপাশি নানামুখী সামাজিক কার্য্যক্রমে তিনি স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। নিভৃতচারী প্রচারবিমুখ এই মানুষটি মনে করেন সকলেরই দেশ আর দেশের মানুষের প্রতি ঋণ আছে। প্রত্যেকেরই উচিত সাধ্যমত ঋনশোধের উদ্যোগ নেয়া।
উল্লেখ্য, তিনি বিদেশে অসংখ্য ট্রেনিং, সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি সমৃদ্ধ করেছেন।
সাধারণ মানুষের হৃদয়ে পৌঁছানো এই মানুষ সুস্থতার সাথে তাঁর দায়িত্ব পালন করুন, পেশাগত জীবনে অনেক অগ্রগতি করুন, দেশকে ও দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখুন, সামনে নিয়ে যাক এটাই সবার কাম্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ফেসবুকে আমরা...