কুয়াকাটায় ফুটেছে প্রকৃতির রূপ, বিরূপ পেশাজীবী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: 24/06/2020 12:57:57 pm

দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম পর্যটন অঞ্চল কুয়াকাটা। করোনার প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে এই অঞ্চল। তবে এখানকার প্রকৃতি যেন ফিরে পেয়েছে প্রাণ। মানবশূন্য কুয়াকাটার প্রকৃতি আগের চেয়ে অনেক বেশি সজীব এবং উজ্জ্বল। বিশাল বিস্তৃত নির্জন সৈকতে এখন শুধু সমুদ্রের গর্জন। ঢেউগুলো আছড়ে পড়ছে বেলাভূমিতে। সমুদ্রের পানি আগের চেয়ে কিছুটা নীল। বেলাভূমিতে যত্রতত্র পড়ে নেই মানুষের ফেলে যাওয়া প্লাস্টিক, চিপসের প্যাকেট, ছেঁড়া কাগজ বা বোতল। কুয়াকাটার সূর্য উদয় আর বিকেলের সূর্যাস্ত এখন আরো মনোহর।

কিন্তু এমন মনোহর প্রকৃতি দেখতে কুয়াকাটায় নেই কোনো পর্যটক। স্বাভাবিকভাবেই কুয়াকাটায় ধস নেমেছে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসা-বাণিজ্যে। পর্যটকদের নানা ধরনের সেবাদানের মাধ্যমে যারা জীবিকা নির্বাহ করত এমন পরিবারগুলো পড়েছে চরম অনিশ্চয়তায়। সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন— কবে পরিত্রাণ মিলবে এই পরিস্থিতি থেকে? কবে স্বাভাবিক হবে জনজীবন? আবার কবে আসতে শুরু করবে পর্যটক?

পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটায় পর্যটকদের আবাসিক সেবা দিতে গড়ে উঠেছে শতাধিক হোটেল-মোটেল। এখন পর্যটকদের হোটেলে স্থান দিলে, গুণতে হবে জরিমানা। এ নিয়ম বেঁধে দেয়া হয়েছে প্রশাসন থেকে। এসব হোটেলে কর্মরত রয়েছে তিন শতাধিক কর্মচারী। জানা যায়, ৭০ শতাংশ হোটেলে গত ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসের কর্মচারী বেতন বকেয়া পড়েছে। ফলে হোটেলে কর্মরত শ্রমিকদের দিন কাটছে চরম উদ্বেগে।